শিরোনাম

সুন্দরবনে ‘আলিফ বাহিনী’র ১৫ সদস্যের আত্মসমর্পণ, অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার

সুন্দরবনে ‘আলিফ বাহিনী’র ১৫ সদস্যের আত্মসমর্পণ, অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার
ছবি প্রতিনিধি

সুন্দরবনে জলদস্যু দমনে যৌথ বাহিনীর অভিযানের মধ্যে ‘আলিফ বাহিনী’র দুই গ্রুপের ১৫ সদস্য আত্মসমর্পণ করেছেন। একই সঙ্গে গত তিন দিনে বনের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে এসআরবি-৬।

প্রেস ব্রিফিং সূত্রে জানা গেছে, সুন্দরবনকে জলদস্যুমুক্ত ও নিরাপদ রাখতে এসআরবি-৬, কোস্ট গার্ড, স্থানীয় প্রশাসন, নৌ-পুলিশ ও বন বিভাগের সমন্বয়ে ‘অপারেশন রি-স্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ নামে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় গত ৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে ‘আলিফ বাহিনী’র দুই গ্রুপের ১৫ সদস্য এসআরবি-৬-এর কাছে আত্মসমর্পণ করেন। পরে তাঁদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আত্মসমর্পণের পর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সুন্দরবনের বিভিন্ন স্থানে গত তিন দিন ধরে চিরুনি অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। অভিযানে একটি বিদেশি শটগান, চারটি দোনলা বন্দুক, নয়টি ওয়ান শুটারগান, ২৭৪ রাউন্ড তাজা গুলি, ২৩টি খালি কার্তুজ, সাতটি ওয়াকিটকি সেট ও ছয়টি বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট উদ্ধার করা হয়।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জলদস্যুদের আত্মসমর্পণের এ ঘটনা সুন্দরবনের বনজীবীদের নিরাপদে জীবিকা নির্বাহ এবং পর্যটকদের নির্বিঘ্ন চলাচলে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি উপকূলীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

সুন্দরবনে এখনো যারা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত, তাদের অপরাধের পথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছে যৌথ বাহিনী। একই সঙ্গে দস্যুতা দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত রাখার কথাও জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন
সর্বশেষ সব খবর
জনপ্রিয় সব খবর