জরুরি রক্তের অভাবে ভোলায় এক প্রসূতি মায়ের সিজারিয়ান অপারেশন আটকে ছিল। বিষয়টি স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশের পর ভোলা জেলা পুলিশ সুপার শহিদুল্লাহ কাওছারের নজরে আসে। এরপর তাঁর উদ্যোগে প্রয়োজনীয় রক্তের ব্যবস্থা করা হলে সময়মতো ওই প্রসূতির অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়।
সংবাদমাধ্যম ‘চ্যানেল ভোলা’-তে রক্তের অভাবে প্রসূতির সিজারিয়ান অপারেশন আটকে থাকার খবর প্রচারিত হয়। বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশ সুপার দ্রুত রক্তের ব্যবস্থা করতে জেলা পুলিশের সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
পুলিশ সুপারের উদ্যোগে ভোলা জেলা পুলিশ লাইন্সে কর্মরত কনস্টেবল রায়হান তালুকদার স্বেচ্ছায় রক্ত দিতে এগিয়ে আসেন। তাঁর দেওয়া রক্তের ব্যবস্থা হওয়ার পর প্রসূতির সিজারিয়ান অপারেশন নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।
পরে পুলিশ সুপার শহিদুল্লাহ কাওছার কনস্টেবল রায়হান তালুকদারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং তাঁর মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করেন। এ ঘটনায় প্রসূতির পরিবারের সদস্যরা রায়হান তালুকদারসহ জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
ভোলা জেলা পুলিশ সুপার শহিদুল্লাহ কাওছার বলেন, অপরাধ দমন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও মাদকবিরোধী কার্যক্রমের পাশাপাশি মানুষের বিপদ ও সংকটে পাশে দাঁড়ানো জেলা পুলিশের দায়িত্বের অংশ। মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডেও জেলা পুলিশ সবসময় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে।