বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির (বাপুস) কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে গোপন ব্যালটে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মদিনা লাইব্রেরির স্বত্বাধিকারী মহি উদ্দিন এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মুন্না বুক সেন্টারের স্বত্বাধিকারী এএইচএম মান্নান মুন্না। কোষাধ্যক্ষ পদে মায়া বুক সেন্টারের স্বত্বাধিকারী সঞ্জীব চন্দ্র শীল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
শনিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত বসুরহাটের একটি চাইনিজ রেস্টুরেন্টে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতি পদে মহি উদ্দিনের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বসুরহাট হায়দার লাইব্রেরির স্বত্বাধিকারী রফিকুল হায়দার ও মা মনি বই ঘরের স্বত্বাধিকারী এ.টি.এম. নূরুল্লাহ। সাধারণ সম্পাদক পদে এএইচএম মান্নান মুন্নার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন বসুরহাট মোস্তাক লাইব্রেরির স্বত্বাধিকারী আজিজুল কবির মোস্তাক।
নির্বাচন পরিচালনা করেন বাপুস নোয়াখালী জেলা শাখার সহসভাপতি মুনিরুল হক মুরাদ, সাধারণ সম্পাদক দীপংকর চক্রবর্তী ও কোষাধ্যক্ষ মো. ওবায়দুল হক জুয়েল। তাঁদের সহযোগিতা করেন জেলা বাপুসের সহসভাপতি ফয়েজ আহমদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সামছুদ্দোহা লিটন, আবু নাছের, জাকির হোসেন জুয়েল, মোহাম্মদ রহমত উল্যাহ এবং জেলা সদস্য আবদুস সামাদ আসিফ।
বাপুসের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শাখার নেতারা জানান, তিন বছরের জন্য ভোটের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর আগে কোম্পানীগঞ্জে বাপুসের কমিটি গঠনে কোনো নির্বাচন হয়নি। এবারই প্রথম গোপন ব্যালটে ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচিত করা হলো। প্রথমবার ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়ে পুস্তক ব্যবসায়ীরা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে ভোট দেন।
নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক এএইচএম মান্নান মুন্না বলেন, ভোটারদের ভালোবাসা, আস্থা ও মূল্যবান ভোট তাঁর জন্য সম্মানের পাশাপাশি বড় দায়িত্বও। ভোটাররা তাঁর ওপর যে বিশ্বাস রেখেছেন, তা সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে ধরে রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।
তিনি বলেন, ব্যক্তির চেয়ে সংগঠন বড়। নবনির্বাচিত কমিটির নেতৃবৃন্দ ও বাপুসের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে সংগঠনের ঐক্য, মর্যাদা ও ব্যবসায়িক স্বার্থ রক্ষায় কাজ করতে চান।
নির্বাচনে তাঁকে সমর্থনকারী ও সমর্থন না করা—সব সদস্যের প্রতি সমান শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সংগঠনের সদস্যদের গঠনমূলক পরামর্শ ও সহযোগিতা কামনা করেন নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক।